আমোদপ্রিয় বাঙ্গালী কিভাবে থাকবে আবদ্ধ ;
সম্পাদকীয়: সামাজিকতা বাঙালির সহজাত প্রবৃত্তি। সৃষ্টির শুরু থেকেই মানুষ সামাজিক জীব।এরা সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করতে ভালোবাসে। সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করায় বিশ্বে বাঙালীই সেরা। এরা জন্মগতভাবে আমোদপ্রিয়। একসাথে বসে গালগল্প, হাসিঠাট্টা, বাঙ্গালির রক্তে মিশে আছে।
বর্তমান বিশ্বে কোভিট-১৯ বা করোনা যেন বাঙ্গালীর হাজার বছরের এ বাকস্বাধীনতা কেরে নেয়ার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। সামাজিক এ মানুষগুলোকে সামাজিক দূরত্ব শেখানোর চেষ্টা করছে।
যে বাঙ্গালি চায়ের দোকানে আড্ডা দিয়ে রাষ্ট্রনীতি তৈরি করে,যারা প্রতিবেশীদের সাথে গল্প করে দিনপার করে, তারা কিভাবে করোনার ভয়ে ঘরে আবদ্ধ থাকতে পারে। প্রতিবেশীদের সাথে পান খেয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় না কাটালে এদের পেটের ভাত হজম হতে কষ্ট হয়। এরা জাতে বাঙালি, করোনায় মরতে রাজী আছে কিন্তু করোনার কাছে হারতে রাজী নয়।
সরকার যতই স্বাস্থ্য বিধি প্রনয়ণই করুক না কেন এ জাতি নিজেদের স্বাস্থ্য বিধি নিজেরাই প্রনয়ণ করে।
মৃত্যুর ভয়ে এরা ঘরে আবদ্ধ থাকলে,ঘরেই দম বন্ধ হয়ে মারা যাবে।
অতএব কোন না কোনভাবে এদের বাইরে আসতেই হবে।
সরকার বাজার, ঘাট, শপিংমল, চায়ের দোকান বন্ধ করে দিয়েছে তাতে কি। বাড়ির উঠান কিংবা বটতলা, বাঁশতলা তো আর বন্ধ করতে পারবে না। লকডাউনের এই সিজনে বাঙ্গালীর বিনোদন কেন্দ্র এখন এসবই।
সরকার চায় জনগণ স্বাস্থ্য বিধি মেনে তিন ফুট দূরে অবস্থান করুক,এরা চায় গায়ে গায়ে মিশে চলতে।
সরকার চায় সংস্পর্শ জনগন সংস্পর্শ এরিয়ে চলুক, এরা চায় এক বিড়ি দশ জনে টানতে।
সরকার চায় জনগণ ঘরে অবস্থান করুক, এরা চায় বাইরে গিয়ে আড্ডাবাজি করতে।
সর্বোপরি, সামাজিক এ জাতি কিছুতেই সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে পারবে না, পারবে না সচেতন হতে।
এরা তখনই সচেতন হবে যখন করোনায় এরা এদের প্রিয়জনকে হারাবে।
তাই এখনো সময় আছে,প্রিয়জনের প্রয়োজন তখনই বুঝবেন যখন প্রিয়জন হারাবেন। তাই হারানোর আগেই তার মূল্যায়ন করুন।
বেঁচে থাকলে আমোদ করার অনেক সময় ও সুযোগ পাবেন। আগে মহামারী থেকে বাঁচুন। সবাই সচেতন হলেই আমরা আমাদের আগের পৃথিবী ফিরে পাবো।
আর এ আগের সুন্দর পৃথিবী পেতে হলে সকলকে স্বাস্থ্য বিধি মানতে হবে। পরিবার ও সমাজকে রক্ষা করতে হলে সকলকে ঘরেই অবস্থান করতে হবে। সকলে সুস্থ থাকুন।
লেখক
মিলন মাহমুদ
১১-০৫-২০২০
বর্তমান বিশ্বে কোভিট-১৯ বা করোনা যেন বাঙ্গালীর হাজার বছরের এ বাকস্বাধীনতা কেরে নেয়ার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। সামাজিক এ মানুষগুলোকে সামাজিক দূরত্ব শেখানোর চেষ্টা করছে।
যে বাঙ্গালি চায়ের দোকানে আড্ডা দিয়ে রাষ্ট্রনীতি তৈরি করে,যারা প্রতিবেশীদের সাথে গল্প করে দিনপার করে, তারা কিভাবে করোনার ভয়ে ঘরে আবদ্ধ থাকতে পারে। প্রতিবেশীদের সাথে পান খেয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় না কাটালে এদের পেটের ভাত হজম হতে কষ্ট হয়। এরা জাতে বাঙালি, করোনায় মরতে রাজী আছে কিন্তু করোনার কাছে হারতে রাজী নয়।
সরকার যতই স্বাস্থ্য বিধি প্রনয়ণই করুক না কেন এ জাতি নিজেদের স্বাস্থ্য বিধি নিজেরাই প্রনয়ণ করে।
মৃত্যুর ভয়ে এরা ঘরে আবদ্ধ থাকলে,ঘরেই দম বন্ধ হয়ে মারা যাবে।
অতএব কোন না কোনভাবে এদের বাইরে আসতেই হবে।
সরকার বাজার, ঘাট, শপিংমল, চায়ের দোকান বন্ধ করে দিয়েছে তাতে কি। বাড়ির উঠান কিংবা বটতলা, বাঁশতলা তো আর বন্ধ করতে পারবে না। লকডাউনের এই সিজনে বাঙ্গালীর বিনোদন কেন্দ্র এখন এসবই।
সরকার চায় জনগণ স্বাস্থ্য বিধি মেনে তিন ফুট দূরে অবস্থান করুক,এরা চায় গায়ে গায়ে মিশে চলতে।
সরকার চায় সংস্পর্শ জনগন সংস্পর্শ এরিয়ে চলুক, এরা চায় এক বিড়ি দশ জনে টানতে।
সরকার চায় জনগণ ঘরে অবস্থান করুক, এরা চায় বাইরে গিয়ে আড্ডাবাজি করতে।
সর্বোপরি, সামাজিক এ জাতি কিছুতেই সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে পারবে না, পারবে না সচেতন হতে।
এরা তখনই সচেতন হবে যখন করোনায় এরা এদের প্রিয়জনকে হারাবে।
তাই এখনো সময় আছে,প্রিয়জনের প্রয়োজন তখনই বুঝবেন যখন প্রিয়জন হারাবেন। তাই হারানোর আগেই তার মূল্যায়ন করুন।
বেঁচে থাকলে আমোদ করার অনেক সময় ও সুযোগ পাবেন। আগে মহামারী থেকে বাঁচুন। সবাই সচেতন হলেই আমরা আমাদের আগের পৃথিবী ফিরে পাবো।
আর এ আগের সুন্দর পৃথিবী পেতে হলে সকলকে স্বাস্থ্য বিধি মানতে হবে। পরিবার ও সমাজকে রক্ষা করতে হলে সকলকে ঘরেই অবস্থান করতে হবে। সকলে সুস্থ থাকুন।
লেখক
মিলন মাহমুদ
১১-০৫-২০২০

No comments